অমিতের বাংলা দম ফাটানো হাসির কৌতুক মজার জোকস হাসির গল্প | bangla new funny golpo | funny jokes golpo
| অমিতের হাসির কৌতুক বাংলা দম ফাটানো হাসির কৌতুক মজার জোকস হাসির গল্প | bangla new funny golpo | funny jokes golpo |
০১.
অমিত এফএম রেডিও স্টেশনে কল করল:
"হ্যালো, এটা কী এফএম ৯৭.৫?"
RJ:জি, বলুন।
অমিত: আমার কথা কী পুরা শহরে শোনা যাচ্ছে ?
RJ:হ্যাঁ, সবাই শুনতে পাচ্ছে বলুন।
অমিত: তারমানে আমার বোন যে রেডিও শুনছে, সেও শুনতে পাচ্ছে ?
RJ:(রাগতস্বরে) আরে বেকুব হ্যাঁ।
অমিত : হ্যালো পিংকি,যদি আমার কথা শুনতে পাস,
তাহলে জলদি পানির মোটর চালু কর।
আমি টয়লেটে বইসা আছি আর পানি শেষ,তোর নাম্বারটাও বন্ধ,জলদি কর।
| অমিতের হাসির কৌতুক বাংলা দম ফাটানো হাসির কৌতুক মজার জোকস হাসির গল্প | bangla new funny golpo | funny jokes golpo |
02.
মিলিটারী একাডেমীতে ট্রেনিং চলছে ...
OFFICER,ক্যাডেট পল্টুকে কে জিজ্ঞেস করল : "তোমার হাতে এটা কি ?"
পল্টু : "Sir,এটা বন্দুক ...!"
OFFICER:না ! এটা বন্দুক না ! এটা তোমার গর্ব , তোমার মা হয় মা !"
,তারপর Officer দ্বিতীয় ক্যাডেট অমিতকে জিজ্ঞেস
করল : তোমার হাতে এটা কি ?"
অমিত :"Sir,এটা পল্টুর মা , ওর গর্ব ! আমাদের আন্টি হয় আন্টি !
| অমিতের হাসির কৌতুক বাংলা দম ফাটানো হাসির কৌতুক মজার জোকস হাসির গল্প | bangla new funny golpo | funny jokes golpo |
০৩.
অমিতকে এক কথায় প্রকাশ পড়াচ্ছে..
মাস্টার: বল দেখি অমিত ,যে গান
লেখে তাকে কী বলে ?
অমিত: গীতিকার
মাস্টার: যে সূর বাধে , সে ?
অমিত: সূরকার.
মাস্টার: আচ্ছা , এবার বল ,যে প্রাইভেট
পডায় তাকে কী বলে ?
অমিত: প্রাইভেট কার
০৪.
অমিত ক্লাস থ্রীর প্রথম সাময়ীক
পরীক্ষার সময় 'কুমির'
রচনা শিখেছে।
সমস্যা হল এর পর যে পরীক্ষাই আসুক
সে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সেই কুমিরের
রচনাই লেখে।
যেমন একবার
রচনা এলো "বাবা মায়ের
প্রতি সন্তানের কর্তব্য"।
তো সে লিখলো-
বাবা মা আমাদের জন্ম দেয়।
তারা আমাদের লালন পালন করে।
কুমিররাও তাই করে।
জেনে রাখা ভালো যে, কুমির
একটি সরিসৃপ প্রানী।
এটি জলে বসবাস করে। এর চোখ
গোল গোল। কুমিরের পিঠ খাজ
কাটা, খাজ কাটা, খাজ কাটা,
খাজ কাটা...দশ পৃষ্ঠা শেষ।
এরপরের পরীক্ষায় রচনা এলো আমার
প্রিয় শিক্ষক। সে লিখল- আমার
প্রিয় শিক্ষক এর নাম মোহাম্মদ
আসাদ। তার চোখ গুলো গোলগোল।
কুমিরেরও চোখ গোল গোল।
জেনে রাখা ভালো যে কুমির
একটি সরিসৃপ প্রানী।
এটি জলে বসবাস করে। কুমিরের
পিঠ খাজ কাটা, খাজ কাটা, খাজ
কাটা, খাজ কাটা...দশ পৃষ্ঠা শেষ।
শিক্ষক দেখলেন এতো ভারী বিপদ।
শেষে তিনি অনেক
ভেবে চিন্তে রচনার বিষয় ঠিক
করলেন পলাশীর যুদ্ধ। লেখ ব্যাটা,
এই বার দেখি কি করে তুই কুমিরের
রচনা লিখিস।
তো ছাত্র লিখলো- ১৭৫৭
সালে পলাশীর প্রান্তরে ইংরেজ
এবং বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব
সিরাজউদ্দৌলার মধ্যে যুদ্ধ
সংগঠিত হয়েছিল। এই যুদ্ধে নবাব
সিরাজউদ্দৌলা তার
সেনাপতি মীরজাফর এর উপর
ভরসা করে খাল কেটে কুমির
এনেছিলেন।
জেনে রাখা ভালো যে, কুমির
একটি সরিসৃপ প্রানী।
এটি জলে বসবাস করে। এর চোখ
গোল গোল। কুমিরের পিঠ খাজ
কাটা, খাজ কাটা, খাজ কাটা,
খাজ কাটা...দশ পৃষ্ঠা শেষ!
| অমিতের হাসির কৌতুক বাংলা দম ফাটানো হাসির কৌতুক মজার জোকস হাসির গল্প | bangla new funny golpo | funny jokes golpo |
০৫.
একবার অমিত, এক আমেরিকান ও এক জাপানী প্লেনে বিদেশ যাইতেছিল।
তো যেতে যেতে এক পর্যায়ে হঠাৎ কোথায় যেন বিপ বিপ শব্দ হল।
তো আমেরিকান ভদ্রলোক তার হাতের এক যায়গায় চাপ দিতেই বিপ বিপ শব্দ থেমে গেল।
আমেরিকান বলতেসে,"আমার হাতের নীচে মাইক্রোচিপ, এখান থেকেই আমার বাসার সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
"এবার কিছুক্ষণ পর হঠাৎ ফোনের রিংটোন বেজে উঠলো। জাপানীজ ভদ্রলোক তার কপালে চাপ দিয়ে বলতেসে,"আমার কপালের নীচে মাইক্রোচিপ।
চাপ দিলেই কল করা ও রিসিভ করা যায়।" অমিত চিন্তা করতেসে কি করা যায়, এদের কাছে কিছুতেই হার মানা যাবেনা।
তো সে উঠেই টয়লেটে চলে গেল এবং আসার সময় দেখা গেল তার প্যান্টের ভেতর থেকে পিছন দিক দিয়ে বিরাট লম্বা ট্যিসু পেপার ঝুলতেসে।
আমেরিকান ও জাপানী তো এই দেখে বলতেসে,"আরে বাহ, এ আবার কোন প্রযুক্তি?"
অমিতের উত্তর,"ও কিছুনা, ই-মেইল আসছে, প্রিন্ট দিতেছি!
| অমিতের হাসির কৌতুক বাংলা দম ফাটানো হাসির কৌতুক মজার জোকস হাসির গল্প | bangla new funny golpo | funny jokes golpo |
| অমিতের হাসির কৌতুক বাংলা দম ফাটানো হাসির কৌতুক মজার জোকস হাসির গল্প | bangla new funny golpo | funny jokes golpo |
০৬.
বাবা ছেলে অমিতকে নতুন
জুতা কিনে দিয়ে বলল
সিড়ি দিয়ে উঠার সময়
দুইটা করে উঠবি।
এতে জুতার উপর চাপ কমবে।
জুতা বেশিদিন টিকবে।
কিন্তু ছেলে বাবার চেয়ে আরো এক
ডিগ্রী উপরে।
সে বাবাকে খুশি করার জন্য
তিনটা সিড়ি করে উঠছে।
উপরে উঠার পর অমিতের বাবা অমিতের
গালে মারলো জোরে এক চড়।
ছেলের চিৎকারের শব্দে পাশের বাসার
মহিলা এসে বলল
এতটুকু বাচ্চাকে কেউ এভাবে মারে?
কেন মেরেছেন?
অমিতের বাবা বলল >>
ওকে বলেছি দুইটা সিড়ি করে উঠবি তাহলে
জুতা বেশিদিন টিকবে।
আর ও উঠলো তিনটা করে।
মহিলা ঃ- ও তো ঠিকই করেছে।
আপনারতো খুশি হওয়ার কথা।
অমিতের বাবা খুশি হব
কিভাবে বলেন,
ও ২০০ টাকার জুতার
তলা বাঁচতে গিয়ে
৮০০ টাকার প্যান্টের
তলা ছিড়ে ফেলেছে।
০৭.
অমিত: এই শার্টটার দাম কত?
দোকানদার: ৭০০ টাকা।
অমিত: ২০০ টাকা হবে ভাই?
দোকানদার: কি যে বলেন,
না এতে হবে না।
অমিত: তাহলে ২২০
টাকা রাখবেন?
দোকানদার: না, একদাম ৫০০
টাকা নিবেন?
অমিত: না, আমি ৩০০ দিবো।
দোকানদার: শেষ দাম ৪০০
হলে নিয়ে জান।
অমিত: না ভাই, শেষ দাম ৩৫০
হলে বলেন, নাইলে আমি যাই।
দোকানদার: আচ্ছা নিয়া যান।
বল্টু শার্ট হাতে নিয়া দিল
এক দৌড়ে
কাশেম : কিরে, অমিত, শার্ট যখন চুরিই
করবি তাহলে এতক্ষণ
দামাদামি করলি কেন?
অমিত: আরে,
দামাদামি না করলে
দোকানদারের
৭০০ টাকা লস হত, এখন ৩৫০ টাকা লস
হইছে। ভালো তো, ভালো না?
০৮.
অমিত আমেরিকা তে সমুদ্রসৈকত
এ sun bath নিচ্ছে ।
এক লোক অমিতের পাশ
দিয়ে যাওয়ার সময়
জিজ্ঞেস
করলঃ "are u relaxing?
অমিত: "No...I'm Boltu Mia"
ওই লোক
এটা শোনার পর অবাক
হয়ে চলে গেলো।
কিছুক্ষন পর এক
মহিলা অমিতকে জিজ্ঞেস করলঃ
“are u relaxing?
অমিত:“No....I'm Boltu...."
মহিলাও অভাক
হয়ে চলে গেলো...
এমন আরো দুইজন প্রশ্ন
করাতে অমিত বিরক্ত
হয়ে উঠে হাটা ধরলো।
সামনে গিয়ে দেখে বারাক
ওবামা সাহেব ও ছাতার
নিচে বিশ্রাম নিচ্ছেন।
অমিত কি মনে করে তাকে জিজ্ঞেস
করলোঃ "are u relaxing?"
বারাক ওবামাঃ "yes,
I'm...why?"
এটা শোনার পর অমিত
বারাক
ওবামাকে কষে এক
থাপ্পড় দিয়ে বললঃ
ওই দিকে তরে সব মানুষ
খুঁজতাছে আর তুই
এইখানে ছাতার
তলে বাতাস
খাছ!
০৯.
শিক্ষক : মরুভুমির একটা প্রানীর নাম বলো?
প্রথম ছাত্র : উট।
শিক্ষক : ঠিক আছে। আরেক জনকে মরুভুমির আরেকটি প্রানীর নাম বলো?
দ্বিতীয় ছাত্র : আরেকটি উট!
১০.
অমিত: দোস্ত আমাকে ১০০০টাকা ধার দিবি?
৭দিন পরেই দিয়ে দেবো..
আবুলঃ এই নে ১০০০টাকা।
অমিত: টাকা হাতে পেয়ে,
দোস্ত তুই।আমার অনেক বড় উপকার করলি.. তোর এই ঋণ কোনদিন শোধ করতে পারবোনা!
দুই মাস হয়ে যায় অমিত আর টাকা দেয় না।
আবুলঃ কিরে আমার টাকাটা তো আর দিলি না..।
অমিত: কিসের টাকা?
আবুলঃ এর মধ্যেই সব ভুলে গেলি? দুই মাস আগে ১০০০ টাকা নিয়েছিস
অমিত: তোকে না টাকা নেয়ার সময়ই বলছি তোর
এই ঋণ আমি কোন দিন শোধ করতে পারবোনা আবার কিসের টাকা?
0 মন্তব্যসমূহ